তোমার মানসিক স্বাস্থ্য ইম্পর্ট্যান্ট
আমরা শরীরের প্রতি যতটা যত্নশীল আচরণ করি ততটা মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি করি না। কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়াটা ইম্পর্ট্যান্ট। কারণ মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ হলে কোনো কাজই ভালোভাবে করা যায় না, সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হয়, ক্যারিয়ারে সমস্যা হয়।
অন্যদিকে মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকলে লাইফের অন্যান্য দিকগুলো সুন্দরভাবে হ্যান্ডেল করা যায়, যেকোনো কাজে উদ্দীপনা পাওয়া যায়, কাজের সুফল পাওয়া যায়। তাই মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া জরুরী।
মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে হলে তোমাকে কিছু ভাল অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। আর বদ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে হবে। টক্সিক লোকদের দক্ষতার সাথে হ্যান্ডেল করতে হবে অথবা এড়িয়ে চলবে। তুমি ধার্মিক হলে নিয়মিত প্রার্থনা আর ধর্মে অবিশ্বাসী হলে মেডিটেশন অথবা পজিটিভ অ্যাফারমেশন প্র্যাকটিস করবে।
পড়াশোনা অথবা কাজের চাপ বেশি মনে হলে ব্রেক নিবে। নিজেকে সময় দিবে। টাকার জন্য মনের বিরুদ্ধে কাজ করবে না। তোমার পছন্দের কাজকে চাকরি হিশাবে নিবে।
কখনো কোনো একটি বিষয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা হলে, বিক্ষিপ্ত মনের এলোমেলো চিন্তাগুলো একটি খাতার মধ্যে লিখে ফেলবে, তারপর পৃষ্ঠাটি ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ডাস্টিবিনে ফেলে দিবে, এতে করে ছেঁড়া পৃষ্ঠার সাথে সাথে তোমার মনের এলোমেলো চিন্তাগুলোও দূর হয়ে যাবে।
গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে এক্সাপার্টদের কাছ থেকে হেল্প নিবে তবে নিজের ডিসিশন নিজেই নিবে।
পারিবারিক এবং সামাজিক সম্পর্ক ভাল রাখার চেষ্টা করবে। সবাইকে সম্মান করবে সে যে কোনো শ্রেণীরই হোক না কেন তবে যারা তোমাকে ছোট করতে চায় তাদের এড়িয়ে চলবে।
অন্যের জন্য কিছু করলে তা আসলে নিজের জন্যেই করা হয় তাই অন্যের জন্য কিছু করার চেষ্টা করবে। নিজে সফল হলে অন্যদের সফল হতে সাহয্য করবে। এতে তোমার উদার মানসিকতা প্রকাশ পাবে।
তুমি লাইফে যা কিছু অর্জন করতে চাও, যে পজিশনে যেতে চাও, সেটি নিজেকে বারবার মনে করিয়ে দাও। এটি তোমাকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
কারো থেকে দেখে নয়, তোমার নিজের আগ্রহের বিষয়ে বই পড়বে, অথবা ভিডিও দেখবে। অলরেডি তুমি যে কাজে ভাল সে কাজে এক্সপার্ট হওয়ার চেষ্টা করবে। যেকোনো একটা বিষয়ে গভীরভাবে জ্ঞান অর্জন করবে। সবসময় নতুন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করবে।
