উপদেশ

Advice from the philosopher

আমি নিজে যা করিনা তা অন্যকে করতে বলি না। আমি সবচেয়ে যেই কাজটা অপছন্দ করি তা হচ্ছে অন্যকে উপদেশ দেয়া। কাউকে হেল্প করার ক্ষেত্রে, সবসময় চেষ্টা করি সরাসরি উপদেশ দেয়ার পরিবর্তে তার মধ্যে ইন্সাইট তৈরি করতে যেন সে তার নিজের ইচ্ছাই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে কিছুদিন যাবত আমি ফেসবুকে লক্ষ্য করেছি যে আমার উপদেশমূলক পোস্টগুলো মানুষ বেশি পছন্দ করছে, তাই সিদ্ধান্ত নিলাম মাঝেমধ্যে প্রাসঙ্গিক উপদেশমূলক কথা বলা যায়। আমি নিজে কিছু মানুষের উপদেশ গ্রহণ করি এবং সেগুলো মেনে চলার চেষ্টা করি। সেরকম কিছু উপদেশ এই লেখায় শেয়ার করলাম আপনাদের সাথেঃ 

যা ইতিমধ্যে ভাল আছে তা আরও ভাল করার চেষ্টা করুন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে অযথা সময় নষ্ট করবেন না, লাইফে সময় খুব কম।

খরচ কমানোর পরিবর্তে আয় বাড়ানোর চিন্তা করুন।

বন্ধুত্বের খাতিরে বন্ধুত্ব রাখুন, তবে কাজ করুন দক্ষ এবং যোগ্য লোকদের সাথে।

হতাশাপূর্ণ ব্যক্তিদের এড়িয়ে চলুন। কারণ মানুষ অন্যের আবেগ দ্বারা সহজেই প্রভাবিত হয়, হতাশাপূর্ন ব্যক্তি আপনার মধ্যেও হতাশা ছড়িয়ে দিতে পারে, যা আপনার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে, আপনার কাজে কর্মে উৎসাহ কমে যাবে।

নিজেকে প্রমাণ করার পরিবর্তে ইম্প্রুভ করার কাজে ব্যস্ত থাকুন।

ভুল করলে তা স্বীকার করুন। কনফিউশ্যান থাকলে প্রশ্ন করুন। সমস্যায় পড়লে সাহায্য চান। ভুল থেকে শিখুন। জ্ঞান অন্যের সাথে শেয়ার করুন।

সবসময় নিজের সেরাটি দিয়ে কাজ করুন। কমও নয়, বেশিও নয়।

অন্যরা কি ভাবছে তা নিয়ে বেশি ভাববেন না। যা ভাল লাগে তাই করুন। ভয় পাবেন না। যোগ্যতা অর্জন করুন। নিজের কাজকে ভালবাসুন।

নিজের সময়কে কাজে লাগান। আপনি নিজের সময়কে যদি কাজে লাগাতে না পারেন, তাহলে অন্যরা আপনার সময়কে তাদের কাজে লাগাবে।

পরনিন্দা করবেন না, পরনিন্দা যারা করে তাদের কাছ থেকে দুরুত্ব বজায় রাখুন।

লাইফে ছোটখাট বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিন, প্রতিদিন অন্তত দশ মিনিট ব্যায়াম করুন, হাঁটুন, সম্পর্কের যত্ন নিন, আলো বাতাস প্রকৃতির সাথে থাকুন, এতে আপনার মন মেজাজ ভাল থাকবে।

পরাজয় মেনে নিন, ভেঙ্গে পড়বেন না, চুপ থাকুন।

পড়েন, পড়ার ফলাফল ইন্সট্যান্টলি পাবেন না, তবে পাবেন। চেষ্টা করবেন ভিন্ন ধারার কিছু বই পড়তে, যেসব বই খুব কম লোকই পড়ে। শুরুর দিকে কোন বাছ বিচার করবেন না, যা ভাল লাগে তাই পড়তে থাকেন, প্রথমে অভ্যাসটা গড়ে তোলেন তারপর প্রায়োরিটি অনুযায়ী পড়ার জন্য বই সিলেক্ট করবেন। একজন পাঠক তার মৃত্যুর পূর্বে হাজারটি জীবন যাপন করে, আর যে কখনো বই পড়েনি সে মাত্র একটিই জীবন যাপন করে।

মানুষের সুন্দর আচরণের পিছনে কারণটি খুঁজে দেখুন।

আপনি লাইফে যত বেশি এগিয়ে যাবেন তত বেশি প্রতিহিংসার শিকার হবেন। হিংসা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। আপনি চাইলেও এটি রোধ করতে পারবেন না। তাই মাঝেমধ্যে নিজের ছোটখাট দোষ ত্রুটি প্রকাশ করতে পারেন, এতে আপনার সম্পর্কে মানুষের একটা মিশ্র অনুভূতি তৈরি হবে, অনাকাঙ্ক্ষিত আক্রম থেকে কিছুটা সেইফ থাকবেন। 

আপনার কাছে যদি কোনো একটি বিষয় ইন্টারেস্টিং মনে হয় তাহলে বিষয়টি আরও গভীরভাবে জানার চেষ্টা করুন।

নিজের ইমোশন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। আপনার ইমোশন কন্ট্রোলে থাকলে, লাইফ কন্ট্রোলে থাকবে। কেউ যদি আপনার ভাল থাকার কারণ হয় তাহলে সে আপনার খারাপ থাকারও কারণ, কারণ আপনি তাকে সেই ক্ষমতা দিয়েছেন।

ইন্টারেস্ট না থাকলে আপনি কোন কিছু ভালভাবে শিখতে পারবেন না। কোন কিছু ভালোভাবে শিখতে চাইলে শর্টকাট ওয়ে খুঁজবেন না।

অনুমান করে কখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাবেন না, কারণ বেশিরভাগ সময় আমাদের অনুমান ভুল হয়।

ঝুঁকি গ্রহণ করুন। লাইফে যত বেশি বাধা অতিক্রম করবেন তত বেশি শক্তিশালী হবেন। শারীরিক এবং মানসিক উভয়ক্ষেত্রেই একই সূত্র।

দুঃসময়ে প্রথম এবং প্রধান কাজ হচ্ছে মানসিকভাবে শান্ত থাকা।

বন্ধুর সফলতাকে নিজের সফলতা হিসেবে চিন্তা করুন তাহলে প্রতিহিংস আপনাকে ধ্বংস করতে পারবে না।

কাজকে কাজ হিসেবে না দেখে এটিকে একটি গেইম হিসেবে নিন।

নিজের কাজকে ভালবাসুন, যা আপনার বদলানোর ক্ষমতা নাই তা মেনে নিন, কাজের মধ্যে আনন্দ খুঁজে নিন, কম প্রত্যাশা করুন, জীবনের ক্ষুদ্র এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে গ্রহণ করুন এবং উপভোগ করুন, আপনি সুখি হবেন। 

আপনার কী নেই তার পরিবর্তে আপনার কী আছে সেগুলো নিয়ে বেশি ভাবুন।

আপনি যত বেশি দুঃখ কষ্ট সহ্য করার সক্ষমতা অর্জন করবেন তত বেশি শক্তিশালী মানুষে পরিণত হবেন।

মানুষের সাথে ভাল আচরণ করার জন্য কোন কারণের প্রয়োজন নেই। বিনা কারণেই মানুষের সাথে ভাল ব্যবহার করুন।

হাল ছেড়ে দিবেন না। কষ্টের সময়টা দ্রুত চলে যায়, আফসোস সারাজীবন থেকে যায়।

আপনি যদি ভুল না করে থাকেন তাহলে কখনো ক্ষমা চাইবেন না।

পরিকল্পনা করুন, আপনার নিজেকে শক্তিশালী করার জন্য একটি পরিকল্পনা থাকা উচিত, কারণ প্রত্যকের একটি পরিকল্পনা রয়েছে আপনাকে ক্ষমতাহীন করার জন্য।

যেমন বপন করবে তেমন ফল পাবেন।

লাইফের সব সমস্যাগুলোকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে ফেলুন তারপর একটা একটা করে সমাধান করুন। একসাথে সবগুলো নিয়ে কাজ করবেন না। প্রতি ধাপে একটি করে কাজ সম্পন্ন করুন।

যে রিলেশনশিপে থেকে লাইফে কোন উন্নতি হয় না বরং ডাউনফল হয় তাহলে সেই রিলেশনে না থাকায় ভাল।

সবসময় লার্নিং এর মধ্যে থাকুন। আপনি বয়স বৃদ্ধির কারনে জ্ঞান অর্জন থামিয়ে দেন না, বরং জ্ঞান অর্জন থামিয়ে দেওয়ার কারণেই আপনার বয়স বৃদ্ধি পায়।

যে আপনার সাথে একবার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দিবেন না।

যে আপনার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না তার সাথে অযথা ফাইট করবেন না। 

মনে রাখবেন, যা হয় ভালোর জন্যেই হয়। 

মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য হতে চাইলে মানুষের সাথে ভাল আচরণ করুন।

লাইফের সমস্যাগুলোকে খুব বেশি পাত্তা দিবেন না। 

ইন্টারেস্টিং হতে চাইলে আগে নিজে ইন্টারেস্টেড হোন। এই মুহুর্তে ইন্টারেস্টেড হলে পরে আপনি ইন্টারেস্টিং হবেন।

যেখানে কোন আশা নাই, সেখানে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।

অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জিবনে কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন। জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্য আরও বেশি জ্ঞান অর্জন করা নয়,বরং জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্য হচ্ছে অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানো।

কখন কোথায় কত সময় মনোযোগ দিবেন তা আগে থেকে হিসেব করে রাখুন। আপনার মনোযোগ সস্তা নয়। 

অন্যরা কি ভাববে এটা নিয়ে বেশি ভাববেন না, স্পেসেফিক কিছু মানুষের কথা ভাবতে পারেন, যাদের এটেনশন গুরুত্বপূর্ন। 

লাইফে কোথায় যেতে চান তা নির্ধারন করুন। যদি একজন নাবিক না জানে সে কোন বন্দরে যাবে, তাহলে কোন বাতাসই তার জন্য অনুকূল নয়।

ফেইক বন্ধুদের ত্যাগ করুন এরা শত্রুর চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতিকর।

আপনি সেরা হতে চাইলে, আপনাকে আলাদা হতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে হবে - এর মানে হচ্ছে মানুষ আপনাকে ভুল বুঝবে, সমালোচনা করবে, এমনকি ঘৃণাও করবে। আর এই সবকিছুর সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে।

জানার চেষ্টা কখনো থামাবেন না। আপনি যেদিন থেকে লার্নিং স্টপ করে দেন, সেদিন থেকেই আপনার বুদ্ধিমত্তা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং কল্পনাশক্তি কমতে শুরু করে।

নিজের চেয়ে অন্যদের বেশি ভালবাসবেন না, নিজের মতামতের চেয়ে অন্যদের মতকে বেশি গুরুত্ব দিবেন না। 

পরিবর্তনকে সহজভাবে নিন। নিজেকে পরিবর্তন করতে পারার সক্ষমতাই আপনাকে একজন শক্তিশালী ব্যাক্তি হিসেবে ডিফাইন করে। 

অলসদের সঙ্গ ত্যাগ করুন, অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।

আপনার সারা জীবনে ৯৯% ক্ষেত্রে কন্ট্রিবিউট করে ইন রিটার্নস কিছু পাবেন না, জিবনে শুধুমাত্র ১% ক্ষেত্রে রিটার্নস পাবেন, কিন্তু এই ১% জায়গায়টাই খুঁজে পাওয়া কঠিন, এর জন্যে আপনি হয়তো জীবনে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন, অনেক অকৃতজ্ঞ মানুষের পিছনে আপনার গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট করবেন, তবে একবার যখন ঐ ১% জায়গাটা খুঁজে পাবেন বা পেয়ে গেছেন তাহলে বাকি জীবন সেখানেই ইফোর্টস দিন।

বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠুন। শিক্ষিত হওয়ার চেয়ে ন্যায়পরায়ণ হওয়া বেশি জরুরী। 

অন্যের মতামতের উপর নির্ভর করে কারো সম্পর্কে চূড়ান্ত ধারণা পোষণ করবেন না।

আপনি যদি কাউকে ভুলে যেতে চান, তাহলে তাকে কখনোই ভুলতে পারবেন না, তার চেয়ে বরং তাকে ভুলার চেষ্টা বাদ দিন, নিজের লাইফে ফোকাস করুন, আত্ম উন্নতির জন্য কাজ করুন।

বসের সামনে কখনো অতিরিক্ত স্মার্টনেস দেখাবেন না।

নিজের চেয়েও স্মার্ট লোকদের সাথে থাকতে পারার সুযোগটিকে ব্লেসিং হিসেবে দেখুন, থ্রেট হিসেবে নয়। স্মার্ট লোকদের সাথে থাকতে পারার সুযোগ হচ্ছে আশীর্বাদ স্বরূপ। তাদেরকে এড়িয়ে চলার পরিবর্তে তাদের কাছ থেকে কিছু শিখে নেওয়াটাই হচ্ছে বুদ্ধিমানের কাজ।

আপনি যখন নতুন পরিবেশে প্রবেশ করেন তখন আপনার প্রথম কাজ হচ্ছে যতটা সম্ভব গভীর পর্যবেক্ষণ করা এবং শেখা।

আপনার সম্মান এবং গুরুত্ব বজায় রাখতে নিজের সহজলভ্যতা কমিয়ে ফেলুন।

ধৈর্য ধারণ করুন। ধৈর্যশীল ব্যক্তি সব কিছুতে মাস্টার হতে পারে।

যদি মনে হয় আপনার শত্রু সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে তার মানে আপনার উন্নতি হচ্ছে। শত্রু না থাকলে শত্রু তৈরি করুন।

যখন কারো সাথে সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় তখনো তার ব্যাক্তিগত "গোপন" বিষয়গুলো গোপনই রাখুন। এটা আপনার চরিত্রকে মহামান্যিত করে।

লোভ নিয়ন্ত্রণ করুন। যখনই কেউ লোভনীয় অফার পাঠাবে নিজেকে সামলে নিন। স্ক্যামাররা বসে আছে আপনাকে লোভের ফাঁদে ফেলার জন্য।

দুশ্চিন্তা যদি আপনাকে বেশি বিরক্ত করে তাহলে দুশ্চিন্তা করার জন্য একটি নির্দিষ্ট টাইম ফিক্স করে নিন। শুধুমাত্রা ঐ সময়টাতে দুশ্চিন্তা করবেন, অন্য সময় কাজে ব্যস্ত থাকবেন। 

কোন কিছু যেভাবে পেয়েছেন তার চেয়ে একটু ভালভাবে রেখে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। অন্তত তার চেয়ে খারাপভাবে রেখে যাবেন না।

নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন, কঠোর পরিশ্রম করুন, এবং স্বপ্নের পিছনে শেষ পর্যন্ত লেগে থাকুন। সফলতাই সবচেয়ে সেরা প্রতিশোধ। 

নিজের মত হোন, সবাই যে যার মত হয়ে গেছে।

খুব কড়া নিয়ম অনুসরণ করবেন না, কারণ নিয়ম যতো কড়া সেটি ভেঙ্গে ফেলার প্রবণতাও ততো বেশি। 

যে আপনাকে পছন্দ করে না তার পিছনে ঘুরা বাদ দিন। তার মাইন্ড পরিবর্তন করার চিন্তা করে অযথা সময় নষ্ট করা বোকামি। যে চলে যেতে চায় তাকে চলে যেতে দিন। তার চেয়ে ভাল কেউ আপনার লাইফে আসবে।

ঝামেলাকে এড়িয়ে গেলে আপনি কখনো ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন না। বরং ঝামেলাকে সেচ্চায় গ্রহণ করে নিলে, ঐ সিচুয়েশনে আপনি এমন কিছু শিখবেন, যা আপনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

আপনি নিজেকে যত বেশি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবেন তত বেশি ব্যার্থ হবেন। তার চেয়ে বরং ন্যাচারাল থাকায় ভাল। এতে করে আপনার প্রকৃত বৈশিষ্ট্যই ফুটে উঠে, যা অথেনটিক।

অসৎ সঙ্গে থাকার চেয়ে নিঃসঙ্গ থাকা অধিকতর শ্রেয়। তবে দীর্ঘ সময়ের জন্য একা থাকা ক্ষতিকর। বেশিদিন একা থাকবেন না। 

ভাল কাজকে উৎসাহ দিন। যারা পৃথিবীকে খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তাদের সাপোর্ট করা আপনার কাজ নয়। আপনার উচিৎ এমন মানুষদের সাথে মেশা যারা পৃথিবীকে ভালোর দিকে নিয়ে যায়। এতে আখেরে আপনারও লাভ হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করুন। রেজাল্ট মাথায় রেখে প্রসেসিং এ বেশি মনোযোগ দিন।

ডিজিটাল মিনিমালিস্ট হোন। ডিজিটাল মিনিমালিজম হচ্ছে অনলাইন প্রেজেন্স কমিয়ে ফেলা, একবারে বন্ধ করে দেয়া নয়। আপনি অনলাইনে এসে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে আবার বের হয়ে যাবেন, অযথা স্ক্রল করবেন না, যেমন আপনার ক্লাসের আপডেট জানার দরকার আছে, তাই শুধুমাত্র আপনার ব্যাচের গ্রুপে ঢুকার জন্য ফেসবুকে ঢুকলেন, তারপর আপডেট দেখে আবার বের হয়ে গেলেন, নিজের কাজ করলেন, এটাই ডিজিটাল মিনিমালিজম।

এমনভাবে বাঁচুন যেন এটা আপনার দ্বিতীয় জীবন এবং প্রথমবার যে ভুল করেছিলেন তা এখন আবার করতে যাচ্ছেন। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url