সফলতার সিক্রেট
সফলতার সিক্রেট
সফলতা মানে হচ্ছে আপনার জীবনকে আপনার নিজের মত করে গুছিয়ে নেওয়া। সফলতা মানে হচ্ছে আপনার নিজের চাওয়া পাওয়া পূরণ করতে পারা এবং নিজের পরিবার পরিজনের দায়িত্ব নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারা। যারা সফল মানুষ তারা অভ্যাসের কারণে সফল হয়নি বরং যাদের আগে থেকেই ভাল অভ্যাস ছিল তারাই জীবনে সফল হতে পেরেছে। আমাদের সকলের মধ্যেই একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে আমরা সফলতা বলতে বুঝি অনেক বেশি টাকা থাকা। এটা সত্য যে আপনার অনেক বেশি টাকা থাকলে নিজেকে সফল দাবি করতে পারেন তবে কম টাকা অর্জন করেও একজন মানুষ নিজেকে সফল দাবি করতে পারে। যে ব্যাক্তিটি গুগলে চাকরি করে মাসে এক কোটি টাকা স্যালারি পাচ্ছে এবং যে ব্যাক্তিটি ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরি করে মাসে এক লক্ষ টাকা স্যালারি পাচ্ছে তারা উভয়েই নিজ নিজ জায়গা থেকে সফল। এখন আপনি যদি বলেন কোথায় চাংখারপুল আর কোথায় লিভারপুল এবং দুইটার মধ্যে তুলনা করেন তাহলে কিন্তু বিষয়টি একইরকম বোধগম্য হবে না; তাই তুলনা করা যাবে না। একইভাবে বলা যায় ঢাকা শহরে একজন ব্যাক্তি যদি উবার চালিয়ে সেখান থেকে যা ইনকাম হয় তা দিয়ে যদি সে নিজে এবং পরিবার পরিজন নিয়ে ভালভাবে চলতে পারে তাহলে তাকেও সফল ব্যাক্তি বলা যাবে, কারণ সে উবার চালিয়ে নিজের জীবন গুছিয়ে নিয়েছে। আর নিজের জীবন গুছিয়ে নেওয়ার জন্য আপনার কিছু ভাল অভ্যাস থাকার প্রয়োজন আছে। এখন আমরা সফল মানুষদের ১০টি ভাল অভ্যাস নিয়ে আলোচনা করবোঃ
একশন নিতে হবে
কথায় আছে আপনি একশ মাইল পাড়ি দিতে চান কিংবা দুইশ মাইল পাড়ি দিতে চান প্রথমে আপনাকে এক কদম পা ফেলার মাধ্যমেই জার্নিটা শুরু করতে হবে। তাই আপনি যে কাজটি করতে চান সেটি প্রথমে একবার শুরু করে দিতে হবে, তারপর যা হবার হবে। একদম সবকিছু ঠিকঠাক করে তারপর কাজে নামবেন এই ধরনের চিন্তাভাবনা করলে শেষে দেখা যাবে কাজটিই আর করা হচ্ছে না। আপনি যদি ধনী হতে চান তাহলে আপনার যা কিছু আছে সেগুলো নিয়েই কাজে নেমে পড়ুন, আপনি যদি বলেন আমার কাছে পুঁজি নাই তাহলে একজন চানাচুর বিক্রেতার দিকে তাকিয়ে দেখুন, আপনি অল্প কিছু টাকা দিয়ে তার পুরো ব্যাবসাটি কিনে ফেলতে পারবেন, এটা শুধু এক্সাম্পল দেয়ার জন্য বললাম। তবে বাস্তবেও যারা সফল হয়েছে তারা খুব ছোট একটা স্টেপ নেয়ার মাধ্যমেই শুরু করেছে। আপনি কি জানেন মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির মালিক মোস্তফা কামাল সে প্রথম কিভাবে ব্যবসা শুরু করেছিলেন? তিনি ছোটবেলায় বাজারে গিয়ে উনার চাচার সাথে সুফারি বিক্রি করেছেন। সেখান থেকেই উনার ব্যবসার প্রতি মানসিকভাবে আগ্রহটা তৈরি হয়। পৃথিবীতে কোন কাজই ছোট নয়। যেকোন কাজের মাধ্যমেই ধনী হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
লেগে থাকতে হবে
পৃথিবীর এমন অনেক বিখ্যাত লোকদের উদারন দেওয়া যাবে যারা বিখ্যাত হওয়ার পূর্বে অনেকবার ব্যার্থ হয়েছে। যেমন হ্যারি পটারের রাইটার জে.কে. রৌলিং তার বইটি নিয়ে অনেক বুক পাবলিশারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন, কিন্তু কেউ তাকে পাত্তা দেয়নি, বলছেন এসব আজেবাজে লেখা মার্কেটে চলবে না। ওয়ারেন বাফেট তার ব্যাক্তি জিবনে প্রথম প্রথম অনেক ব্যাবসায় লস করেছিলেন। সেদিন যদি জে.কে. রোলিং হতাশ হয়ে লেখালেখি বন্ধ করে দিতেন, ওয়ারেন বাফেট যদি ব্যাবসা ছেড়ে চাকরি শুরু করে দিতেন তাহলে আজ জে.কে. রোলিং পৃথিবী বিখ্যাত হতেন না আর ওয়ারেন বাফেটও পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা ধনীদের তালিকায় আসতেন না। তাই যা একবার শুরু করবে সেটির শেষ দেখে ছাড়তে হবে, যেকোন একটি কাজে লেগে থাকতে হবে, লেগে থাকার মধ্যেই রয়েছে সফলতার সূত্র, লেগে থাকলে আজ না হয় কাল সফলতার মুখ আপনি দেখবেনই।
মিলেমিশে কাজ করতে হবে
সাধারণত সিনেমা মুভিতে আমরা দেখি যে নায়ক একা একাই সব কিছু করে ফেলছে, নায়ক একাই ভিলেনদের শায়েস্তা করে তার নাদুসনুদুস সুন্দরী প্রেমিকাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসছে। কিন্তু বাস্তবে এমনটা হয়না, আপনি একা অনেকগুলো মানুষের সাথে পারবেন না, আপনাকে অন্যদের সাহায্য নেওয়ার মাধ্যমে বিপদ মোকাবেলা করতে হবে। বিখ্যাত সাইকোলজিস্ট পিটারসন বলেন দুইজন ব্যাক্তির ব্রেইনের সমন্বয় সবসময় একজন ব্যাক্তির ব্রেইনের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। আপনি যতগুলো ব্রেইন একসাথে করতে পারবেন তার শক্তিও অনেক বেশি হবে। দশজন ব্যাক্তি মিলে একটা কাজ যত সহজে এবং দ্রুত করে ফেলতে পারবে তা একজন ব্যাক্তির পক্ষে অনেক কঠিন এবং সময় সাপেক্ষ একটি বিষয় হবে। মিলেমিশে কাজ করলে তার ফলাফল অনেক ভাল হয়।
প্রস্তুতি নিতে হবে
যেকোন একটি কাজ শুরু করার আগে তার একটা সামগ্রিক ধারণা রাখতে হবে, ছোটখাট বিষয়গুলো সম্পর্কে মোটামুটি জ্ঞান থাকা ভাল, আপনি একটা ব্যবাসা শুরু করার আগে ব্যবসার খুঁটিনাটি বিষয়গুলো সম্পর্কে আগে থেকে জানার প্রয়োজন রয়েছে। যে ছেলেটি পরীক্ষার আগের দিন পড়াশোনা না করেই পরীক্ষা দিতে যায় সে তেমন কিছুই লিখতে পারে না, কিন্তু অনেকে সারা বছর পড়াশোনা না করে শুধুমাত্র পরীক্ষার আগের রাতে সমগ্র বিষয়ের একটা ব্যাসিক ধারণা নিয়ে রাখে, কিভাবে প্রশ্ন আসলে কিভাবে উত্তর দিতে হবে সে বিষয়গুলো সম্পর্কে জেনে রাখে, তাই সামান্য প্রস্তুতি থাকার কারণেও সে অনেক ভাল পরীক্ষা দিতে পারে, তাহলে কিছুটা সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিলে সে আরও ভাল করতে পারবে। যেকোন বিষয়ে পূর্বপ্রস্তুতি থাকলে সেই কাজটি অনেক ভালভাবে করা যায়। তাই কোন কাজ করার পূর্বে প্রস্তুতি নিতে হবে।
সব কিছু নিয়েই জীবন
আমাদের সমাজে দুই নৌকায় পা দিয়ে চলার বিষয়টিকে খারাপভাবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু আপনার যদি দুইটা নোকা সামলে চলার সক্ষমতা থাকে তাহলে আপনি কেন একটা নৌকা নিয়ে পড়ে থাকবেন। আপনার যদি দুইটা জাহাজ থাকে তাহলে দুইটা জাহাজ থেকে আপনার লাভ আরও বেশি হবে। আপনার একই সাথে দুইটা বিষয়ে দক্ষতা থাকলে আপনি একটা অন্যটাকে সাপোর্ট দেয়ার কাজে লাগাতে পারবেন। সাধারণত দেখা যায় বড় কোম্পানিগুলোর মধ্যে আরও ছোট ছোট অনেকগুলো কোম্পানি থাকে। যেমন - গুগল একটা কোম্পানি কিন্তু গুগলের আরও অনেকগুলো ছোট ছোট প্রডাক্ট রয়েছে, যেগুলো একটা আরেকটাকে সাপোর্ট করে। তাই একজন মানুষের পক্ষে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা থাকলে সেগুলো করা উচিৎ, সব কিছু নিয়েই আমাদের জীবন, একটা কাজকে বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়ে অন্য গুলোকে জীবন থেকে বাদ দিয়ে দিলে চলবে না, আপনি যদি বেশি টাকার পিছনে ছুটেন তাহলে জিবনের অন্যান্য দিকগুলো সম্পর্কে আপনার মনোযোগ হারিয়ে ফেলবেন। জীবনে টাকার প্রয়োজন আছে তবে অন্য বিষয়গুলো সম্পর্কে খেয়াল রাখা আরও বেশী গুরুত্বপূর্ন।
ব্যাসিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে
জ্ঞান অর্জনের জন্য অনেক ধরনের উৎস রয়েছে। কেউ বইপত্র পড়ে জ্ঞান অর্জন করে, কেউ অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞান অর্জন করে আবার কেউ কোর্স করে জ্ঞান অর্জন করে। যে যেভাবেই জ্ঞান অর্জন করুক না কেন আপনাকে জানতে হবে আপনি কিভাবে জ্ঞান অর্জন করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন, আপনি যদি ভিডিও দেখে বেশি জ্ঞান অর্জন করতে পারেন তাহলে আপনি সেটিই করুন তবে জ্ঞান আপনাকে অর্জন করতেই হবে, প্রতিনিয়ত নতুন বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আপনাকে নতুন নতুন বিষয়গুলো সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে। বর্তমানে প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি হচ্ছে, প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আপনি অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারবেন। সফল মানুষদের জ্ঞানের প্রতি একটা বিশেষ আগ্রহ থাকে, আপনি যদি রকমারি এর মালিক সোহাগ হাসানের অতিতের দিকে তাকান তাহলে দেখতে পাবেন তিনি ছোটবেলায় অনেক বইপত্র পড়তেন, বই পড়তে পড়তে তিনি তার মাথার ভিতরের মস্তিষ্কটাকে উর্বর করে ফেলেছেন, এটা একটা উর্বর জমির মত হয়ে গিয়েছে, ফলে এখানে আপনি যে ফলই চাষ করেন না কেন ফলন ভাল পাবেন। তাই আপনাকে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে মোটামুটি ব্যাসিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা থাকতে হবে
আপনি সারাদিন গাধার মত খেটে সফল হতে পারবেন না, যদি না আপনার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য না থাকে। আবার আপনার যদি একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে তাহলে আপনি প্রতিদিন অল্প অল্প শ্রম দিয়েও কোন না কোন একদিন সফলতার দ্বার প্রান্তে পৌঁছে যেতে পারবেন। আপনার যদি একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে তাহলে আপনি যাই করুন না কেন, যেই দক্ষতা অর্জন করার পিছনে সময় নষ্ট করুন না কেন সেটি আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করবে। আপনার লক্ষ্য যদি হয় ধনী ব্যাক্তি হওয়া তাহলে আপনি প্রোগ্রামিং শিখেন অথবা ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করে সময় নষ্ট করেন সেটি আপনাকে কোন না কোন ভাবে বড়লোক হতে সাহায্য করবে। তাই একদিনে অনেক বেশি কাজ না করে আপনাকে একটি লক্ষ ঠিক করে সেই অনুযায়ী প্রতিদিন অল্প হলেও কাজ করতে হবে। একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকলে লক্ষ্যটিই তার উদ্দেশ্য পূরণে আপনাকে দিয়ে তার কাজ করিয়ে নিবে। যদি লক্ষ্য থাকে অটুত, দেখা হবে বিজয়ে।
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল
বর্তমানে এই র্যাট রেসের যুগে আমরা পড়াশোনা আর ক্যারিয়ারের পিছনে এমনভাবে ছুটছি যে আমরা ভুলে যাই আমাদের একটা শরীর রয়েছে। আর শরীরটারও অন্য সব কিছুর মত যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। একটা গাড়ি যদি অযত্নে অবহেলা করে ব্যবহার করা হয় তাহলে সেটি কিছুদিন পর আগের মত পারফর্ম্যান্স দিতে পারবে না, বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিবে, একটা সময় মেশিন নষ্ট হয়ে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষের শরীরটাও একটা মেশিনের মত, এটাকে চালানোর জন্য খাদ্যের প্রয়োজন হয়, যত্নের প্রয়োজন হয়। একদম খাওয়া দাওয়া না করা যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তেমনি অতিরিক্ত খাওয়াও কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু আপনি যদি প্রতিনিয়ত শারীরিকভাবে কাজ কর্ম করেন, শরীরচর্চা করেন তাহলে আপনি অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করলে সেটি কোন সমস্যা হবে না, বরং শরীরের জন্যে তা আরও ভাল হবে। খাওয়ার সময় সচেতন থাকতে হবে কি খাচ্ছেন আর কতটুকু খাচ্ছেন। প্রতিনিয়ত শরীরচর্চা করা একটি ভাল অভ্যাস, এতে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরিগুলো ক্ষয় হয়ে যায়। স্বাস্থ্য ভাল থাকলে সবকিছুই ভাল থাকবে। স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।
পরিকল্পনা করতে হবে
মানুষের ব্রেন হচ্ছে একটা দুষ্ট বানরের মত। এটি সব সময় এখান থেকে সেখানে ছুটোছুটি করতে থাকে। তাই আমাদের মনে হয় একবার এটা করি, তারপর আবার মনে হয় অন্য কিছু একটা করি, সবসময় আমরা কোন না কোন একটা কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি, কিন্তু দিনশেষে দেখা যায় আসলে কাজের কাজের কিছুই করা হয়নি। তাই এই দুষ্ট ব্রেইনটাকে লাইনে নিয়ে আসার জন্য একটা পরিকল্পনা থাকার প্রয়োজন আছে, সফল মানুষেরা সবসময় পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে, তাদের একটা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকে, এবং একটা জিনিস অর্জন করা হয়ে গেলে অন্যটি অর্জন করার কাজে লেগে যায় তারা। পরিকল্পনাহীন ব্যাক্তি জীবনে কিছুই করতে পারে না। জ্ঞান বুদ্ধি সবারই সমান সমান থাকে কিন্তু যারা জীবনে পরিকল্পনা করে চলে তারাই জীবনে সফল হতে পারে। তাছাড়া পরিকল্পনা করলে এটি আপনার মস্তিষ্কের ভেতরে নার্ভগুলোকে শান্ত রাখে। মাথা ঠাণ্ডা রেখে যদি আপনি কাজ করতে পারেন তাহলে দুনিয়ার সবকিছুই আপনার পক্ষে অর্জন করা সম্ভব।
বায়ু পরিবর্তন করতে হবে
আমরা অনেক সময় শুনি যে অনেকে বায়ু পরিবর্তন করতে বলে। আসলে এই বায়ু পরিবর্তন বলতে কি বুঝানো হয় সেটি কিন্তু আমরা কখনও গভীরভাবে উপলব্দি করিনা, বায়ু পরিবর্তন কথাটা শুনলে মনে হয় বাতাস পরিবর্তন করতে বলা হয়েছে। আসলে বিষয়টি ঠিক এমন না, বায়ু পরিবর্তন মানে হচ্ছে আপনার পরিবেশের পরিবর্তন করা। একজন মানুষের জিবনের উন্নতির পথে পরিবেশের প্রভাব ব্যাপক পরিমাণে গুরুতপূর্ন ভূমিকা পালন করে। একই জায়গায় অনেক বছর থাকতে থাকতে একঘেয়েমি লেগে যায় তাই মাঝেমধ্যে জায়গা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তাই আপনাকে প্রথমে আপনার পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। কারণ পরিবেশ ভাল হলে সেটি আপনাকে সফল হতে সাহায্য করবে। এমন জায়গা বেশিদিন থাকা ঠিক হবে না যেটি আপনার উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করে। তাই বসবাসের জন্য আপনাকে সফলতার উপযোগী পরিবেশ বেঁছে নিতে হবে।
আপনি যদি এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হয়ে সচেতনতার সাথে সেগুলো আপনার জীবনে এপ্লাই করতে সক্ষম হোন তাহলে আপনার জীবনে সফলতা আসবেই, আসতে বাধ্য। দ্য আলকেমিস্ট বইয়ের লেখক পাওলো কোয়েলহো বলেছেন "তুমি যখন কোন কিছু মন থেকে চাইবে তখন সমস্ত বিশ্বজগতটাই স্বড়যন্ত্র করবে সেটি তোমাকে পাইয়ে দিতে।"
